নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন।
বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে যখন তারেক রহমান সংবর্ধনা মঞ্চে ওঠেন, তখন উপস্থিত লাখ লাখ নেতা-কর্মীর গগণবিদারী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কোনো লিখিত বক্তব্য (স্ক্রিপ্ট) ছাড়াই টানা ১৬ মিনিট ভাষণ দেন তিনি। কালো প্যান্ট ও সাদা শার্ট পরিহিত তারেক রহমানের চোখে ছিল চিরচেনা চশমা। দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তি সত্ত্বেও তাঁর কণ্ঠে ছিল দৃঢ়তা।
তারেক রহমান তাঁর ভাষণে বলেন, "আমি দেশের মানুষের জন্য একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি। এই পরিকল্পনা দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের গণতন্ত্রকামী প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা আমার প্রয়োজন।"
তিনি আরও বলেন, "জনগণই সকল শক্তির উৎস। বাংলাদেশের মানুষ এখন স্বাধীনভাবে কথা বলতে চায়, তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়।" তাঁর বক্তব্যে তিনি দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি সুসজ্জিত বাসে করে সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছাতে তাঁর সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। পুরোটা পথ তিনি বাসে দাঁড়িয়ে থেকে দুপাশে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার নেতা-কর্মীর অভিনন্দনের জবাব দেন। সংবর্ধনা মঞ্চে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জোটভুক্ত শরিক দলগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরও জানতে...

0 Comments